সরেজমিনে আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ ও নলকা এলাকায় দেখা যায়, মহাসড়কটি অনেকটাই ফাঁকা। তবে তিন চাকার যানবাহন বেশি চলাচল করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক সদস্য ও স্থানীয় লোকজন বলছেন, ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বগুড়া-সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে ঘরমুখী মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এ চাপ আরও বেড়ে যাবে। তখন বঙ্গবন্ধু সেতু সংযোগ মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট ও যাত্রীদের ভোগান্তি হতে পারে।

বাসচালকেরা বলছেন, রাস্তায় চাপ বাড়লেও স্বাভাবিক সময়ের মতোই যাতায়াত করা যাচ্ছে। তবে ভোগাচ্ছে স্থানীয় পর্যায়ের তিন চাকার যানবাহন। ঢাকা থেকে রংপুরগামী ট্রাকচালক মোশাররফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, মহাসড়ক থেকে জরুরি ভিত্তিতে তিন চাকার যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় দুয়েক দিনের মধ্যেই যখন বেশিসংখ্যক মানুষ ঘরমুখী হতে থাকবে, তখন অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে চরম যানজট সৃষ্টি হবে।

ঈদযাত্রার সময়টায় মহাসড়কে তিন চাকার গাড়ি চলাচল বন্ধে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানালেন সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান। তিনি বলেন, আজ থেকে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে কাজ শুরু হচ্ছে। মহাসড়কে তিন চাকার কোনো যানবাহন চলতে দেওয়া হবে না।

উত্তরবঙ্গের মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সোমবার বিকেলে নবনির্মিত নলকা সেতুর একটি লেন চালু করা হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী দিদারুল আলম তরফদার বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় মহাসড়কে তিন থেকে চার গুণ যানবাহন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। এ জন্য দ্রুততার সঙ্গে নলকা সেতুর একটি লেন খুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরোনো নলকা সেতুটিও সচল রাখা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ও মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে ৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পুলিশ ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ২৭ রমজান থেকে ৪৫০ পুলিশ সদস্য মহাসড়কে কাজ করবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন