বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নৌকার মাঝির বরাত দিয়ে দুরুল হোদা বলেন, নিম্নচাপের কারণে নদীতে বাতাস ও ঢেউ ছিল। ঢেউয়ের কারণে নৌকায় পানি উঠে পড়ে। এ কারণে নৌকা ডুবে যায়। যাত্রী ছিল ৩৫ থেকে ৪০ জন।

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাকিব আল রাব্বি, পাকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক ছাবের আলী প্রামাণিক ও বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নৌকাডুবির সময় নদীতে প্রচণ্ড স্রোত ছিল। যাত্রী ও পণ্য নিয়ে নৌকা ছাড়ার ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে তা মাঝনদীতে ডুবে যায়।

জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে ছাবের আলী প্রামাণিক বলেন, দশরশিয়ায় ছিল হাটবার। এ জন্য নৌকায় আলু, বেগুনের বস্তা ও ডাব ছিল। বেশ কয়েকটি বাইসাইকেলের পাশাপাশি যাত্রীদের বসানো হয়েছিল গাদাগাদি করে। এতে যাত্রীরা আপত্তি করলেও তাঁদের কথা শোনা হয়নি। অতিরিক্ত বোঝাইয়ের কারণে নৌকাটি ডুবি যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

default-image

নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে বিজিবিও যোগ দেয়। রাজশাহী থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলও উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়। নদীতে প্রচণ্ড স্রোত ও ঢেউ থাকায় উদ্ধারকাজ বিঘ্নিত হয়।

ইউএনও সাকিব আল রাব্বি জানান, অন্ধকার নেমে আসায় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে উদ্ধার অভিযান শেষ করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অভিযান আবার শুরু হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন