বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার সম্পর্কে আইভী বলেন, তাঁর (তৈমুর) কর্মকাণ্ডে ফুটে উঠেছে, তিনি শামীম ওসমানের প্রার্থী। দুই বছর ধরে তাঁর বিরুদ্ধে শামীম ওসমান যে গ্রাউন্ড তৈরি করেছেন, সেটি তিনি (তৈমুর) তোতাপাখির মতো সংবাদ সম্মেলনে বলে গেছেন।

আইভী বলেন, ‘উনি (শামীম ওসমান) দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়েছেন কেন, সেটা আমি জানি না। উনি কী করবেন, সেটাও আমি জানি না। উনি সমর্থন দিলেন কি দিলেন না, তা–ও আমি জানি না। উনি সমর্থন না দিলে খুব বেশি কি পার্থক্য হবে?’

আইভী বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জবাসী যেকোনো কাজে সব সময় আমাকে কাছে পেয়েছেন। এই শহরের মানুষ একদম কথা বলতে পারতেন না। ভয়ে থাকতেন খুন, চাঁদাবাজির, তখন আমি জানি না অপর প্রার্থীরা কোথায় ছিলেন। আমি আমার বিগত ১৮ বছরে দেখিনি কোনো প্রার্থীকে এ রকম সরব থাকতে।’ তিনি আরও বলেন, তৈমুর আলম খন্দকারকে ত্বকী হত্যা নিয়ে কোথাও সমাবেশ করতে দেখা যায়নি। অথচ এত আলোচিত হত্যাকাণ্ড। আইভী বলেন, শুধু ত্বকী নন, এই শহরে আশিক, ভুলু ও চঞ্চলকে হত্যা করা হয়েছে। তাঁদের কোথাও দেখিনি একটি কথা বলতে ও প্রতিবাদ করতে।

তৈমুর আলমকে উদ্দেশ্য করে আইভী আরও বলেন, তিনি যাঁদের প্রার্থী হয়েছেন, তাঁরা (শামীম ওসমান) নাকি তাঁকেও গুলি করে দিয়েছেন। সারাক্ষণ বলেছেন যে তাঁকে শামীম ওসমান গুলি করেছেন। আজ তিনি এ কথা বলছেন না। তিনি এ বিষয়ে একদম চুপ।

তৈমুর আলম খন্দকার ‘গডমাদার’ নিয়ে কথা বলায় আইভী তাঁর পরিবারের সঙ্গে তৈমুরের অতীত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা তুলে বলেন, ‘নিজেকে প্রটেক্ট করার জন্য যদি আমাকে গডমাদার বলেন, পক্ষান্তরে উনি (তৈমুর) তাঁর সন্তানকেই (আইভি) বলছেন। আমি কিন্তু উনাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করিনি। আমি চাইলে অনেক কিছু বলতে পারি উনার নামে, কিন্তু বলব না। উনাকে সম্মান করে আমি নির্বাচন চালিয়ে যাব। তৈমুর আলম ওসমান পরিবারের কোলে আশ্রয় নিয়েছেন, আমি সেই কথা বলেছি। উনি যদি তাঁদের পৃষ্ঠপোষকতায় না দাঁড়াতেন, তাহলে চারজন ইউপি চেয়ারম্যান (জাপার) কিন্তু দাঁড়াতেন না।’

আচরণবিধি ভঙ্গের ব্যাপারে তৈমুরের অভিযোগ অস্বীকার করে আইভী বলেন, ‘আমি এর আগে আরও দুটি নির্বাচন করেছি। বিধিনিষেধের বিষয়টি আমার জানা আছে।’ নগরবাসীর জন্য প্রচুর কাজ করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন মানুষের পক্ষে শতভাগ কাজ করা সম্ভব হয় না। স্থানীয় সরকারের কাজগুলো চলমান প্রক্রিয়া।

আজ ২১ নম্বর ওয়ার্ডে বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে সেলিনা হায়াৎ আইভীর সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল কাদির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন