বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আহাম্মদ আলী মিয়া জানান, ২০১৯ ব্যাচে ২২৫ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেন। এ ছাড়া ২০১৮ ব্যাচের চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০৫ হলেও এর মধ্যে ১৮ জন অনুপস্থিত। পরীক্ষার্থীরা যথাসময়ে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করলেও অজ্ঞাত কারণে তাঁরা উপস্থিত হননি।

আলেয়া আক্তার নামের এক শিক্ষার্থী প্রবেশপত্র নিয়েও পরীক্ষায় অংশ নেননি। কারণ জানতে ওই শিক্ষার্থীর মুঠোফোনে কল করলে তিনি বলেন, ‘করোনা শুরু হওয়ার ছয় মাস আগে ভর্তি হই। এরপর দেড় বছর পার হলো। বই-ই কেনা হয়নি। প্রস্তুতি না থাকায় পরীক্ষা দেওয়া হয়নি। আগামী বছর প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেব।’

সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, যাঁরা কর্মজীবী, ঝরে পড়া বা কোনো কারণে সময়মতো পড়তে পারেননি; তাঁরাই সাধারণত উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। দেড় বছর করোনাকাল থাকায় অনেকেই ভর্তি হলেও নানা কারণে তাঁরা পরীক্ষায় অনুপস্থিত রয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন