বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম প্রথম আলোকে বলেন, রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে বাগমারার ‘অর্জুনপাড়া মদিনাতুল উলুম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়’-এর চ্যান্সেলর এবং বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের শিক্ষা কমিশন সচিবালয়ের চেয়ারম্যানের ভুয়া পরিচয় দিতেন। এই পরিচয়ে তিনি সাধারণ মানুষকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রতারণা করে আসছিলেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আজ দুপুরে তাঁকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণা করার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর কাছ থেকে জাল কাগজপত্র জব্দ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে যায়, বাগমারায় ‘অর্জুনপাড়া মদিনাতুল উলুম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে কোনো প্রতিষ্ঠান নেই। এর আগেও একই ধরনের প্রতারণার দায়ে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে রফিকুলকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তাঁর প্রতারণা নিয়ে প্রথম আলোয় একাধিক সংবাদও প্রকাশ হয়।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, রফিকুলের নামে প্রতারণার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। ওই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন