বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরের দিকে ওই হোটেলের সিঁড়িতে বাসুদেবের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয় ব্যক্তিদের কাছে খবর পেয়ে পুলিশ বাসুদেবের লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

বাসুদেবের স্ত্রী সুভা রানী মোহন্ত বলেন, ২০-২২ বছর ধরে রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছী এলাকায় বসবাস করছেন তাঁরা। বাসুদেব ষোলমাইল, চান্দাইকোনা বাজার ও হাটিকুমরুল এলাকায় বিভিন্ন খাবার হোটেলে কাজ করতেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের জিলানী বুধবার সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় ব্যক্তিদের কাছে খবর পেয়ে ওই হোটেল থেকে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ না থাকায় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন