বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঋণখেলাপির সংশ্লিষ্টতা নাম থাকায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খান আহমেদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশের বৈরাবরি পার্টির নিবন্ধন না থাকায় ওই দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করা পীর সৈয়দ আলমগীর হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আরজু মিয়া ও নুরুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

এদিকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জহিরুল ইসলাম, ওয়ার্কার্স পার্টির গোলাম নওজব পাওয়ার চৌধুরী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের রূপা রায় চৌধুরীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, ঢাকায় ইস্টার্ন ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় খতিব খান নামের এক ব্যক্তির ছয় লাখ টাকার একটি ঋণের জিম্মাদার ছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খান আহমেদ। এই ঋণ খেলাপি বলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে খান আহমেদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। তবে নাম না প্রকাশের শর্তে তাঁর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বলছে, খান আহমেদ ব্যক্তিগতভাবে কোনো ঋণ নেননি। একজনের ঋণের গ্যারান্টার (জিম্মাদার) ছিলেন। ওই ঋণও পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে ঋণ পরিশোধের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকে নির্ধারিত সময়ে জানানো হয়নি। তাই খেলাপি তালিকায় নাম রয়েছে। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনে তিনি আপিল করবেন।

সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা একাব্বর হোসেনের মৃত্যুতে টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনটি শূন্য হয়। আগামী ১৬ জানুয়ারি আসনটিতে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

৩ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় খান আহমেদকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়। খান আহমেদ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খানের ছেলে। তিনি এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক এবং টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন