default-image

‘বাবারা, তুমরা কারা, আমাগের বাড়ি থেকে ডেনে এনে কম্বল দিলে। অনেকের কাছে যেয়েও তারা দিল না।’

বৃদ্ধ সাহিদার এমন প্রশ্নে বন্ধুসভার সদস্যরা জানালেন, তাঁরা প্রথম আলো পত্রিকার পক্ষ থেকে কম্বল নিয়ে এসেছেন। এরপর সাহিদার উত্তর, ‘তুমরাও কম্বল দেও। বেঁচে থাকলি আবার দিয়ো, এই বয়সে আর ঠান্ডার কষ্ট সহ্য হয় না।’

আজ বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসের মাঠে শহরের পাগলাকানাই এলাকা থেকে বৃদ্ধ সাহিদা বেগম এসেছিলেন কম্বল নিতে। প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে ঝিনাইদহ বন্ধুসভার সদস্যরা এই কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

চাকলাপাড়া থেকে কম্বল নিতে আসা বৃদ্ধ নরেণ দাস বললেন, ‘শীত আসলেই কষ্টের শেষ থাকে না। একটা কম্বলের জন্য মানুষের কাছে ছুটতে হয়। তোমরা বাড়ি ছুটে গিয়ে কম্বলের কার্ড দিয়ে এসেছ। এতে খুব ভালো লাগছে। এই কম্বল গায়ে দিয়ে ঘুমাবেন, শীতের কষ্ট দূর করবেন।’

বিজ্ঞাপন
default-image

ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয়ের মাঠের পাশাপাশি জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার নিমতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকাতেও শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন প্রথম আলো বন্ধুসভার সদস্যরা। দুই স্থানে ২০০ শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বলের পাশাপাশি একটি করে পেট্রোলিয়াম জেলি ও একটি মাস্ক দেওয়া হয়।

default-image

কম্বল বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর ঝিনাইদহের নিজস্ব প্রতিবেদক আজাদ রহমান, কলেজশিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন, স্কুলশিক্ষক শাহনেওয়াজ আলম, বন্ধুসভার সভাপতি সাকিব মোহাম্মদ আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক সানজিদা আফরোজ, শাহিনুর আলম, আসমা জামান, সাইক-আল-জামি লিশন, নাজমুল আলম, বন্ধুসভার কম্বল বিতরণ উপকমিটির আহ্বায়ক সম্রাট কুমার বিশ্বাস, সিফা জাসিয়াসহ বন্ধুসভার অন্য সদস্যরা।

শীতার্তদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসতে পারেন আপনিও। সহায়তা পাঠানো যাবে ব্যাংকের মাধ্যমে। হিসাবের নাম: প্রথম আলো ট্রাস্ট/ত্রাণ তহবিল, হিসাব নম্বর: ২০৭ ২০০ ১১১৯৪ ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, কারওয়ান বাজার শাখা, ঢাকা।

মন্তব্য করুন