বিএনপি থেকে বলা হচ্ছে, দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবে না তারা। সম্প্রতি মহাসচিব মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা তাঁদের বক্তব্যে নির্বাচন ও ইভিএম নিয়ে দলীয় অবস্থান আরও পরিষ্কার করেছেন। জবাবে সাংবাদিকদের হানিফ বলেন, এই সরকারের অধীনে এর আগেও বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনও সংবিধান অনুযায়ী এই সরকারের অধীনে হবে এবং সেই নির্বাচনে বিএনপি অবশ্যই অংশ নেবে।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের এই নেতার ভাষ্য, বিএনপি এখন রাজনৈতিক কারণে যে কথাই বলুক, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করবে। আগামী নির্বাচন অবশ্যই অংশগ্রহণমূলক হবে। আওয়ামী লীগই এ দেশে একমাত্র দল, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে এবং আওয়ামী লীগই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। আওয়ামী লীগ নির্বাচন নিয়ে কোনো ফন্দিফিকির করে না। এ অভ্যাস বিএনপির আছে। যেটা দেশবাসী দেখেছে। আওয়ামী লীগ সব সময় বলে এসেছে, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সবার অংশগ্রহণমূলক করার জন্য যা যা করার, সরকার সব করবে।

হানিফের ভাষ্য, বিএনপি অবশ্যই নির্বাচনে অংশ নেবে। না নেওয়ার কোনো কারণ নেই। ২০১৮ সালেও বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তারা ২০১৪ সালে নির্বাচনে অংশ নেয়নি। এর প্রধান কারণ ছিল সেই সময় বিএনপির জোটের অন্যতম সহযোগী দল জামায়াতের শীর্ষ নেতারা যুদ্ধাপরাধের মামলার রায়ে কারাগারে ছিলেন, পলাতক ছিলেন। জামায়াত নির্বাচনে যায়নি বিধায় বিএনপি যায়নি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের সাংসদ সেলিম আলতাফ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী, জেলা পরিষদের প্রশাসক রবিউল ইসলাম, জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার প্রামাণিক প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন