বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ডুমুরিয়া উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক গোবিন্দ ঘোষ বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ওই স্থানে সমাবেশ করার জন্য আবেদন করা হয়েছে। পরে জানা যায়, সেখানে বিএনপির পক্ষ থেকেও সমাবেশ করার জন্য আবেদন করা হয়েছে। আসলে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে নয়, ওই দিন কর্মসূচি পালনের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।

খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির এজাজ খান বলেন, কেন্দ্র ঘোষিত ওই কর্মসূচি যেকোনো মূল্যে পালন করা হবে। যদি প্রশাসন ওই স্থানে ১৪৪ ধারা জারি করে, তবু ওই কর্মসূচি পালন থেকে পিছপা হবে না বিএনপি।

এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুল ওয়াদুদ বলেন, একই দিনে দুই পক্ষের সমাবেশ করার আবেদনপত্র পাওয়া গেছে। এটা নিয়ে এলাকায় বেশ উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

পুলিশি হয়রানির অভিযোগ

বিএনপির সমাবেশ বাতিল করতে ও নেতা-কর্মীদের ভয়ভীতি দেখাতে তাঁদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশি অভিযান চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে খুলনা জেলা বিএনপি। আজ সোমবার দুপুরে খুলনা নগরের কে ডি ঘোষ রোডে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অভিযোগ করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির এজাজ খান। তিনি বলেন, এক সপ্তাহ আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া ওই কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করতে পুলিশের ইন্ধনে ছাত্রলীগ-যুবলীগ একই দিনে একই স্থানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালনের জন্য দরখাস্ত করেছে।

আমির এজাজ খান বলেন, কেন্দ্র থেকে মহানগর ও জেলা সদরের বাইরে থানা পর্যায়ে সমাবেশ আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আলোচনা করে ডুমুরিয়ায় কর্মসূচি পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই কর্মসূচি দেওয়ার আগে জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছিল। তিনি সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাসও দিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান বলেন, বিএনপি সমাবেশের অনুমতির জন্য কোনো আবেদন করেনি, তবে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে। কাউকে হেনস্তা করার জন্য নয়, পুলিশের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন