বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আতাউল গনি ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে প্রথম আলোকে জানান, বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালের বহির্বিভাগে রোগী দেখা হচ্ছিল। সেখানে রোগী দেখাতে আসা এক নারীর কাছে বাচ্চা রেখে চলে যান অজ্ঞাত এক নারী। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও কেউ শিশুটিকে নিতে আসেননি। একপর্যায়ে শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে ওই নারী কর্তব্যরত চিকিৎসককে শিশুটির বিষয়ে জানান। পরে ওই নারী কর্তব্যরত চিকিৎসকের কাছে শিশুটিকে হস্তান্তর করেন।

আতাউল গনি বলেন, ‘আমরা শিশুটিকে ভর্তি রেখেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রণয় ভূষণ দাস প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিশুটি আমাদের কাছে আছে। কেউ দাবি করলে যাচাই–বাছাই করে দেখা হবে। তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন