বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলাকার লোকজন জানিয়েছেন, গত শনিবার আতাউরের স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ফরিদপুর সদরের গেরদা ইউনিয়নের জোয়াইড় গ্রামে বাবার বাড়িতে যান। গতকাল মঙ্গলবার রাতে আতাউর বাড়িতে একাই ছিলেন।

তেলীডাঙ্গী গ্রামের চায়ের দোকানদার সাচ্ছিদা তেলী বলেন, গতকাল রাত আটটার দিকে আতাউর তাঁর দোকানে চা পান করতে আসেন। এরপর রাত সাড়ে আটটার দিকে বাড়িতে চলে যান।

আতাউরের চাচাতো ভাই শেখ মোয়াজ্জেম বলেন, আজ সকাল আটটার দিকে তিনি জমিতে যাচ্ছিলেন। পথে আতাউরের বাড়ির উঠানে গিয়ে দেখেন, হাঁস-মুরগির ঘর খোলা হয়নি। আঙিনায় তখনো বাতি জ্বলছিল। এসব দেখে সন্দেহ হলে তিনি আতাউরের শোবার ঘরের সামনে গিয়ে দরজা খোলা পান। ঘরের ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখেন, আতাউরের নিথর দেহ পড়ে আছে। তাঁর বাঁ কপালে ভারী বস্তু দিয়ে আঘাতের জখম ছিল। এ সময় চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন।

খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে ছেলেমেয়ে নিয়ে আতাউরের স্ত্রী বাড়িতে আসেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, জমি নিয়ে আতাউরের সঙ্গে তাঁর ভাগনেদের বিরোধ ছিল। এর জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, এ ঘটনায় চরভদ্রাসন থানায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। ওই ব্যক্তির বাঁ কপালে ভারী কোনো বস্তুর আঘাতের জখম রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ঘুমন্ত অবস্থায় বালিশচাপা দিয়ে আতাউরকে হত্যা করা হয়েছে। পরে কপালে ভারী কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন