বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: আপনার কি মনে হয় রাজনৈতিক দলগুলো নারীদের এই অধিকার প্রদানে আন্তরিক হবে?

শাহ সাজেদা: দেশে নারীদের আজকের যে অগ্রগতি, এটা দীর্ঘ সংগ্রামের ফল। এটা খুব সহজে আসেনি। আমরা মনে করি, ৩৩ শতাংশ নারীর রাজনৈতিক দলে অংশগ্রহণ একসময় অপরিহার্য হয়ে উঠবে। কারণ, শিক্ষা, জ্ঞানচর্চা, প্রযুক্তি, উদ্ভাবনসহ সব ক্ষেত্রেই নারীরা আজ পুরুষের পাশাপাশি এগিয়ে যাচ্ছেন। এই যে অগ্রগতি, সেখানে কিন্তু তাঁদের প্রতিবন্ধকতাকে কেউ ঠেকাতে পারছে না। আমাদের জনগোষ্ঠীর অর্ধেকই নারী। তাঁদের অন্তর্ভুক্তি ছাড়া উন্নয়ন অসম্ভব। এমন সময় আসবে, যখন নারীরাই তাঁদের যোগ্যতায় রাজনীতিতে অপরিহার্য হয়ে উঠবেন। তবে নারীদেরও যোগ্যতর হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলে হবে।

প্রথম আলো: রাজনীতিতে এখন নারীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি আমাদের মনে আশা জাগায়?

শাহ সাজেদা: অগ্রগতি হলেও রাজনীতিতে নারীদের মর্যাদা বেড়েছে বলে মনে হয় না। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে, পদ পেলেই যে নারীরা এগিয়ে যাবেন, এমন নয়। সেখানে তাঁদের মর্যাদা থাকতে হবে। আমার মনে হয় না নারীদের মর্যাদা এখনো নিশ্চিত হয়েছে। আমরা যত দূর জানি, নির্বাচন কমিশনে পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল গণফ্রন্টে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধি আছে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ২৪ শতাংশের কম নারী নেতৃত্ব আছে। বিএনপির সব পর্যায়ের কমিটিতে ১৫ ভাগ নারী সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাপায় নারী নেতৃত্ব মাত্র ২০ শতাংশ। আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টিতে (জেপি) নারী নেতৃত্ব ১৬ শতাংশ। এ ছাড়া অন্যান্য দলের মধ্যে সিপিবিতে ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ ও জাসদে ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ নারী নেতৃত্ব রয়েছে।

প্রথম আলো: এ ক্ষেত্রে কী করা দরকার?

শাহ সাজেদা: এ ক্ষেত্রে দরকার পারিবারিক সহযোগিতা, নারীদের যোগ্যতর হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা, রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের সদিচ্ছা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন