বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাহারুল ইসলাম বললেন, রাজশাহীর প্রতিরোধযুদ্ধে প্রথমে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর দুজন সদস্য মারা যায়। তিনি ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত পুরো প্রতিরোধযুদ্ধের কাহিনি শোনালেন। সারোয়ার-ই-কামাল বললেন, পাশের আমবাগান থেকে পাকিস্তানি হানাদারদের ওপর মুক্তিযোদ্ধারা গুলি চালিয়েছিলেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আলমের কথায় ফুটে উঠেছে স্বীকৃতি না পাওয়ার আক্ষেপটা। তিনি বললেন, বড়ই পরিতাপের বিষয় এই যে প্রথম প্রতিরোধযুদ্ধে রাজশাহীর লক্ষ্মীপুরে ১৬ জন ইপিআর সদস্য শহীদ হলেন। তাঁদের কথা কেউ কোথাও লিখে না। অপর বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাহারুল ইসলাম দুঃখ করে বললেন, রাজশাহী পুলিশ লাইনসের ভেতরে শত শত পুলিশ শহীদ হয়েছিলেন। স্বাধীনতা দিবসে সেখানে কেউ ফুল নিয়ে যায় না।

বীর মুক্তিযোদ্ধারা যখন এই আলাপচারিতায় মশগুল, তখন একাডেমি মিলনায়তনে ‘জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান চলছিল। এতে নগরের ৫৫২ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. হুমায়ুন কবীর। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল বাতেন, রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার মো. আবু কালাম সিদ্দিক, পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা জিনাতুন নেসা তালুকদার প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন