default-image

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে নদীতে ডুবে তিন খালাতো ভাইবোনের মৃত্যু হয়েছে। আরও দুজনকে জীবিত উদ্ধার করেন স্থানীয় লোকজন। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের কলেজপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া তিনজন হলো গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার কিশামত বড় বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ওলি উল্লাহর মেয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী দীনা পারভীন (১০), রৌমারী উপজেলার কাউয়ারচর গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে নবম শ্রেণির ছাত্র হামিম (১৪) ও উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের কলেজপাড়া গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সিয়াম (১৩)। জীবিত উদ্ধার হয়েছেন হায়দার আলীর মেয়ে আসিফা (১৯) এবং ওই চারজনের মামাতো ভাই গাইবান্ধা সদর উপজেলার মানিপাড়া গ্রামের আবদুল হাইয়ের ছেলে নাসির আহাম্মেদ (১৮)।

বিজ্ঞাপন

মারা যাওয়া তিন শিশুর মামা জোবায়ের হোসেন বলেন, তিনজনের মধ্যে সিয়ামের বাবা হায়দার আলী স্থানীয় একটি কলেজের শিক্ষক। বাড়ি কলেজপাড়া এলাকায়। সিয়ামদের বাড়িতে কয়েক দিন আগে বেড়াতে আসে খালাতো ও মামাতো ভাইবোনেরা। বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে পাঁচজন মিলে বাড়ির পাশের সোনাভরি নদীতে গোসল করতে যায়। নদীর স্লুইসগেট–সংলগ্ন স্থানে নেমেছিল তারা। একপর্যায়ে দীনা পানিতে ডুবে যায়। তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করে অন্যরা। এভাবে পরপর পাঁচজন পানিতে ডুবে যায়।

তীরে থাকা একজন বিষয়টি খেয়াল করেন। তাঁর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন। তাঁরা নদী থেকে পাঁচজনকে উদ্ধার করে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুল আলম তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্য দুজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন।

রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মো. দিলওয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি মর্মান্তিক। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। লাশগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন