বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মোস্তফা কামাল মাদবর প্রথম আলোকে বলেন, ‘সকাল পৌনে নয়টায় আমার মুঠোফোনে অপরিচিত নম্বর থেকে কল আসে। এক ব্যক্তি তখন বলেন, “এক ঘণ্টার মধ্যে পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে ডিসি ব্রিজ এলাকায় আসেন। নইলে ভবনটি বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেব”। আমি কথামতো ভবনের নিচতলায় গিয়ে দেখি বোমাসদৃশ কিছু রয়েছে। পরে ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশকে সব জানাই। পুলিশ ও র‍্যাবের লোকজন ভবনটি ঘিরে রেখেছেন।’

বটতলা এলাকায় মোস্তফা কামাল মাদবরের নির্মাণাধীন ভবনের পাশে ছোট–বড় একাধিক ভবন আছে। খবর পাওয়ার পরপরই পুরো ভবনটির চারপাশ সিলগালা করে দেয় পুলিশ। ভবনটির চারপাশে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। দুপুর ১২টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মাদারীপুরের পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

দুপুর সাড়ে ১২টায় পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল প্রথম আলোকে বলেন, ‘এখানে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই। বোমাসদৃশ বস্তুটি দেখেছি। আসলে বস্তুটি কী, সেটা জানার জন্য কাউন্টার টেররিজমের বোমা নিষ্ক্রিয় দল ও বরিশালের র‌্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয় দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে ঘটনা কী, তা জানা যাবে। প্রাথমিকভাবে আমরা ভবনটির চারপাশ পুলিশ দিয়ে ঘিরে রেখেছি। বোমাসদৃশ বস্তুটি ভবনের নিচতলায় একটি রুমের ভেতরে আছে। এরপরও আমরা কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছি না।’

পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘ভবনমালিকের কাছে যে চাঁদা দাবি করেছে, সেই ক্লু ধরেই আমরা কাজ শুরু করেছি। তাদের খুঁজে বের করতে পুলিশের দল কাজ করে যাচ্ছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন