রেশমা বেগম বলেন, পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্সে বিমার টাকা জমা দিতে তাঁরা ওই মার্কেটে যান। টাকা জমা শেষে লিফটে করে তাঁরা চারতলা থেকে নিচতলায় নামতে যান। লিফট তিনতলায় এলে বিদ্যুৎ চলে যায়। তখন তাঁরা লিফটে আটকা পড়েন। এর পরপরই রেশমা বেগম তাঁর স্বামী ফারুক হোসেনকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানান।

ফারুক হোসেন বলেন, খবর পেয়ে তখনই ঘটনাস্থলে যান। বিমা কার্যালয়ের লোকজনও উদ্ধারকাজে সহায়তা করেন। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় উদ্ধার চেষ্টায় শুরুতে ব্যর্থ হন। পরে বিদ্যুৎ এলে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লিফট খোলা সম্ভব হয়নি। পরে পুলিশের সহায়তায় লিফটম্যান তাঁর স্ত্রী ও মেয়েকে লিফট থেকে বের করেন।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, লিফট মেরামতের জন্য কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে। মেরামত না করা পর্যন্ত লিফট বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।