গতকাল সোমবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘর থেকে পানি নেমে গেলেও কমর আলীর ঘরের সামনে এখনো হাঁটুপানি। ঘরের ভেতরে কয়েক ইঞ্চি কাদা জমে আছে। নানা রকমের ময়লা-আবর্জনা স্তূপাকারে পড়ে আছে। পুরো ঘরটিই বিধ্বস্ত হয়ে আছে। সে ঘরই কমর আলী ও তাঁর স্ত্রী রেবেকা বেগম (৫১) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ করছিলেন।

রেবেকা বেগম বলেন, ‘ঘরে কোমরপানি আছিল। কয়েক দিন ধইরা যাযাবর জীবন কাটাইছি। এখন ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে করতে জান শেষ! হাড্ডিগুড্ডিতে ব্যথা করতাছে। বন্যার পানি ক্ষতি তো করছেই, কাম আরও বাড়াইয়া দিয়া গেছে। কেমনে কাদামাটি সরাইমু, ঘর পরিষ্কার করমু, ইতা ভাবলেই মাথা চক্কর দিয়া ওঠে।’

কমর আলী বলেন, ‘আমি নিজে অসুস্থ। ছেলের আয় বন্ধ। অনেক জিনিস নষ্ট হইছে, ভাইসা গেছে। ঘরে খরচও বাড়ছে। ঋণের বোঝা বাড়ছে। সরকারি কোনো ত্রাণ বা সহযোগিতাও পাইছি না। কিলা সামনের দিন যাইব, ভাবতে ভাবতে বেদিশা হইয়া গেছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন