বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর ও পার্শ্ববর্তী মনিরামপুর উপজেলার ২৭ বিলের পানি কাটাখালী জলকপাট হয়ে বিল খুকশিয়ার ডায়ের খালের জলকপাট দিয়ে শ্রী নদীতে পড়ে। কিন্তু পলি পড়ে নদী ভরাট হওয়ায় বৃষ্টির পানি এখন আর নদীতে পড়ছে না। ফলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, কেশবপুরের কারীচরণপুর বেতিখোলা, মাদারডাঙ্গার বিস্তীর্ণ এলাকা জলাবদ্ধ। কারীচরণপুর গ্রামের শীলা বিশ্বাস পানি ভেঙে পানি আনতে যাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, তাঁর শোবার ঘর, রান্নাঘর ও গোয়ালঘরে পানি উঠে গেছে। ঘরে চাল-ডাল থাকলেও খাওয়ার কষ্ট হচ্ছে। কারণ, রান্না করার মতো কোনো জায়গা নেই। তাঁর একমাত্র মেয়ে শিপিকা মণ্ডলকে (১০) মামার বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

পানির কারণে এ গ্রামের মানিকতলাপাড়ার মনি মালা সরকারের রান্নাঘর ও গোয়ালঘর ভেঙে যাচ্ছে। তিনি বলেন, পানি নামবে কেউ জানে না। এই দুর্দিনে কেউ কোনো খোঁজখবরও নিচ্ছে না।

পাঁজিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, তাঁর ইউনিয়নের মাদারডাঙ্গা, মনোহরনগর, ডোঙাঘাটার আংশিক এবং বাগডাঙ্গার পুরোটাই জলাবদ্ধ হয়ে আছে। এসব এলাকার প্রায় ৫০০ পরিবার এখন পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কেশবপুর কার্যালয়ের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মুন্সী আসাদ উল্লাহ বলেন, পলি জমে শ্রী নদী ভরাট হয়ে গেছে। এ কারণে পানি নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে না। এলাকার লোকজন জলকপাটের কাছে পলিনিষ্কাশনের উদ্যোগ নিয়েছে। নদীখননের একটি প্রকল্প হাতে দেওয়া হয়েছে। এটি অনুমোদন ও নদীখনন হলে সমস্যার সমাধান হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন