default-image

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল ৭ ছাত্রী। বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত এসব বিয়ে বন্ধ করেন।

শুক্রবার বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়। এ সময় বর-কনের অভিভাবকদের কাছ থেকে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাতটি স্থানে বাল্যবিবাহের আয়োজন চলছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালান। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৩), ধুকুরিয়া বেড়া ইউনিয়নে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী (১২), সন্ধ্যায় পৌর এলাকায় একাদশ শ্রেণির ছাত্রী (১৭), রাত আটটায় ভাংগাবাড়ী ইউনিয়নের একটি গ্রামে নবম শ্রেণির ছাত্রী (১৪), রাত নয়টায় দৌলতপুর ইউনিয়নে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী (১৩) ও অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী (১৩) এবং রাত সাড়ে ১১টায় পৌরসভায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর (১৫) বিয়ে বন্ধ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

আজ সকালে ইউএনও আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, শুক্রবার যেসব মেয়ের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল, তারা অপ্রাপ্তবয়স্ক। দেশের প্রচলিত আইন ভঙ্গ করে এসব বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হয়েছিল। এ জন্য বর-কনের অভিভাবকদের কাছ থেকে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। অভিভাবকদের বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে বলার পর প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দেন তাঁরা।

মন্তব্য পড়ুন 0