বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সম্মেলনের পর পূর্ণাঙ্গ উপজেলা কমিটি গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণ ও বিধিনিষেধে পূর্ণাঙ্গ কমিটি আর গঠন করা সম্ভব হয়নি। এদিকে গত ২৪ মার্চ উপজেলা সভাপতি মিছবাহুদ্দোজা বার্ধক্যজনিত রোগে মারা যান। কমিটির একমাত্র নির্বাচিত সদস্য এখন শুধু সাধারণ সম্পাদক। ৭১ সদস্যবিশিষ্ট উপজেলা কমিটির ৭০টি পদ এখন শূন্য।

আওয়ামী লীগ সূত্র জানিয়েছে, সম্মেলনের পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে একটি খসড়া তালিকা করা হয়েছিল। এর কিছুদিন পরই করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। বিধিনিষেধে চলাকালে দলের নেতা-কর্মীরা যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। দলীয় কাজেও স্থবিরতা আসে। এমতাবস্থায় আর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। সভাপতির মৃত্যুর পর সাধারণ সম্পাদক একা হয়ে গেছেন। তিনি উপজেলার আট ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিলন বখত বলেন, কমিটি না হওয়ার জন্য করোনা একটি বড় কারণ। সভাপতিসহ খসড়া কমিটির তালিকাতে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের অনেকে মারা গেছেন। তবে দলের কার্যক্রম বন্ধ না। একা হওয়ায় দায়িত্ব আরও বেশি বলে মনে করছেন তিনি। তবে অন্যান্য উপজেলায় সম্মেলনের দিন সভাপতি-সম্পাদকসহ ন্যূনতম সাত-আটজনকে নির্বাচিত করা হয়ে থাকে। এখানে তা হয়নি। এ রকম থাকলে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত কাজে সহযোগিতা হতো।

মিলন বখত আরও বলেন, পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য তাঁরা কেন্দ্রের নির্দেশনার অপেক্ষা করছেন। গত জুলাই মাসে সিলেট বিভাগের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেনের সঙ্গে রাজনগর উপজেলা কমিটি গঠন নিয়ে কথা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিছবাহুর রহমান বলেন, করোনার কারণে কমিটি গঠন হয়নি। কমিটি গঠন নিয়ে কেন্দ্রে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা পেলেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন