বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিখিত বক্তব্যে বকুল আমিন বলেন, উপজেলার রুদ্রবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা রঞ্জু সরকার বগুড়া পল্লি উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) একটি প্রকল্পে কাজ করতেন। সেখানকার প্রকল্প শেষ হওয়ায় তিনি গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। ২০১৮ সালে তিনি তাঁর বাবা মোজাফফর সরকার, স্ত্রী দৃষ্টি আক্তার, ভাই রুহুল আমিনসহ আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে একটি এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন। ওই এনজিওর নাম দেওয়া হয় রুদ্র ফাউন্ডেশন।

গ্রাহকের অর্থ জামানতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রঞ্জু সরকাররা এনজিওটির কার্যক্রম শুরু করেন। পরে তাঁরা শেরপুর উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শিরিন মহল নামে একটি বাসায় সংস্থার প্রধান কার্যালয় গড়ে তোলেন। সেই কার্যালয় থেকে তাঁরা এলাকার মানুষদের অধিক লাভ দেওয়ার কথা বলে রুদ্র ফাউন্ডেশনের নামে গ্রাহকদের বিনিয়োগ করাতে থাকেন। প্রায় এক হাজার গ্রাহক তাঁদের অর্থ ওই এনজিওতে জমা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা বকুল আমিন ১১ লাখ ৮৪ হাজার টাকা, বেসরকারি চাকরিজীবী জাফর ইকবাল ৫ লাখ, নূরনাহার বেগম ২ লাখ, মনির ইসলাম ১৫ লাখ ৭০ হাজার, রোজিনা খাতুন ১ লাখ, মুন ৫ লাখ, কৃষক রফিকুল ইসলাম ১৭ লাখ, আবদুল হামিম ১১ লাখ ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা আবদুস সালাম ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা জমা রাখার কথা জানান।

এই নয়জন বিনিয়োগকারী বলেন, তাঁরা জমানো টাকা ফেরত চেয়ে এনজিওর চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করেন। নভেম্বর মাস শুরুর আগেই চেয়ারম্যানসহ অন্যরা কার্যালয় বন্ধ করে আত্মগোপন করেছেন। এ ঘটনার পর তাঁরা রঞ্জু সরকার ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আসামি করে আদালতে পৃথক ১১টি প্রতারণার মামলা করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে রুদ্র ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রঞ্জু সরকারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে বগুড়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন বলেন, মামলার প্রাথমিক তদন্তে প্রতারণা করে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংস্থার চেয়ারম্যান রঞ্জু সরকারসহ অন্যরা পলাতক। তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন