নগরবাসী বিনোদনের স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছেন ভৈরব নদ ও রূপসা নদীর পাড় এবং সোনাডাঙ্গায় অবস্থিত ময়ূরী আবাসিক প্রকল্পের স্থান। কোভিড পরিস্থিতির মধ্যেও বিকেল হলে সেখানে মানুষের ঢল নামছে। পাশাপাশি বেড়েছে ছোটখাটো খাবারের দোকানের সংখ্যাও।

অবশ্য কয়েক বছর আগে ভৈরব নদের পাড়ে ৭ নম্বর ঘাট থেকে ৪ নম্বর ঘাট পর্যন্ত ও রূপসা ঘাট এলাকায় ওয়াকওয়ে ও বসার স্থান তৈরি করে কিছুটা পার্কের আদল দিয়েছে সিটি করপোরেশন। নাম দেওয়া হয়েছে রিভারভিউ পার্ক।

গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার নগর ঘুরে দেখা যায়, হাদিস পার্ক, জাতিসংঘ শিশুপার্ক ও ওয়ান্ডারল্যান্ড শিশুপার্ক বন্ধ। মুজগুন্নী এলাকায় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) একটি শিশুপার্ক ছিল। কিন্তু ইজারা নিয়ে সমস্যার কারণে তা বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন। অবশ্য গল্লামারী এলাকায় ময়ূর নদের পাড়ে অবস্থিত লিনিয়ার পার্কটি খুলে দেওয়া হয়েছে, তবে তাতে মানুষের উপস্থিতি কম।

খুলনা নগরে এখন সভা-সমাবেশ থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। কিন্তু পার্কগুলো বন্ধ থাকায় নগরবাসী বিনোদনের স্থান খুঁজে পাচ্ছেন না।

এ সম্পর্কে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে করোনা যেন শুধু পার্কের মধ্যেই। অন্য কোথাও করোনার উপদ্রব নেই। নগরে মানুষের বিনোদনের স্থান খুবই কম। অন্যদিকে পার্কগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় নগরবাসীর মধ্যে একধরনের হাঁসফাঁস শুরু হয়ে গেছে। বিশেষ করে স্কুল বন্ধ থাকায় শিশুদের নিয়ে অভিভাবকেরা সমস্যায় পড়ছেন বেশি। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি নির্দেশনা মেনে পার্ক খুলে দেওয়া দরকার।

খুলনা সিটি করপোরেশনের বৈষয়িক কর্মকর্তা নুরুজ্জামান তালুকদার প্রথম আলোকে বলেন, সরকারি নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার জন্য। পার্ক খুলে দেওয়ার ব্যাপারে কোনো উল্লেখ নেই। তারপরও লিনিয়ার পার্ক খুলে দেওয়া হয়েছে। অন্য পার্কগুলো খুলে দেওয়ার জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন