বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ২৩ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে মেয়ে কুলসুমকে নিয়ে অভিযান-১০ লঞ্চে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন আরিফ। স্ত্রী খাদিজা বেগম ও ছোট দুই সন্তানকে রেখে ঢাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারপ্রতি ২৫ হাজার টাকা সহায়তা হিসেবে দেওয়া হলেও আহত, চিকিৎসাধীন ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারকে কোনো সহায়তা দেওয়া হয়নি।

নিখোঁজ আরিফের মা আলেয়া জাহান বলেন, তাঁর ছেলে সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। ছেলের দুই সন্তান ও তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায় আছেন। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছেন। এখনো ছেলের খোঁজ পাওয়ার আশায় আছেন।

default-image

ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত ৯টার দিকে আরিফের সঙ্গে সবশেষ কথা হয় স্ত্রী খাদিজা বেগমের। খাদিজা বলেন, ঘটনার পর থেকে আত্মীয়স্বজনেরা ঝালকাঠির ঘটনাস্থলসহ বরগুনা, বরিশালের অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেছেন। এখন বাড়িতে বসে তাদের ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন।

আরিফের এক মেয়ে মানসিক প্রতিবন্ধী। আরেক ছেলের বয়স দুই বছর। খাদিজা বলেন, তাদের নিয়ে সামনের দিনগুলো কীভাবে চলবে, তা ভেবে দিশেহারা অবস্থা।
বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুহৃদ সালেহীন বলেন, লঞ্চে অগ্নিদুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ২৫ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে নিখোঁজ যাত্রীর স্বজনদের জন্য সরকারি সহায়তা এখনো আসেনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন