বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
সবেমাত্র দায়িত্ব নিয়েছি। বিষয়টি জানতে পারলাম। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
নজরুল ইসলাম মণ্ডল, মেয়র, গোয়ালন্দ পৌরসভা

পরে দৌলতদিয়া ও উজানচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের সুপারিশের ভিত্তিতে উত্তর উজানচর শ্মশানঘাটসংলগ্ন তারা মিয়ার বাড়ির কাছে একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২১ লাখ ৬৭ হাজার টাকা ব্যয়ে ২৬ ফুট দৈর্ঘ্যের আরসিসি সেতু নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় মেসার্স রনি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি করে। প্রতিরক্ষা দেয়াল (গাইডওয়াল) না থাকায় সেতুর সংযোগ সড়কের মাটি ধসে গেছে। এতে সেতুতে যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। সেতু দিয়ে চলতে গিয়ে ঘোড়ার গাড়ি, রিকশা ও অটোরিকশা উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। বাধ্য হয়ে যাত্রী ও চালকেরা আগের মতোই ঝুঁকি নিয়ে রেলসেতুর পাশ দিয়ে সরু রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা দোয়াত আলী শেখ বলেন, নতুন সেতুর দুই পাশের রাস্তায় গাইডওয়াল করাসহ আরও চওড়া করে করার দরকার ছিল। সম্প্রতি বন্যায় রাস্তা ধসে গেছে। এখানে প্রতিনিয়ত ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।

অটোরিকশার চালক আজাদ মোল্লা বলেন, তাঁরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাধ্য হয়ে রেলসেতুর পাশ দিয়েই চলাচল করছেন।

ফকির পাড়ার বাসিন্দা গোয়ালন্দ বাজারের ব্যবসায়ী হুমায়ুন আহম্মেদ বলেন, এলাকার কৃষকেরা ঘোড়ার গাড়ি, ভ্যান বা ছোট গাড়িতে করে পণ্য বাজারে নিয়ে বেচাকেনা করেন। কিন্তু গত বর্ষায় রাস্তার মাটি ধসে গেছে। এতে মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবু সাঈদ মণ্ডল বলেন, বন্যার কারণে সেতুর সংযোগ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে উপজেলা পরিষদ থেকে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের অনুকূলে টিআর বরাদ্দ করা হয়েছে। শিগগিরই রাস্তার উন্নয়নকাজ শুরু হবে।

পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম মণ্ডল বলেন, ‘আমি সবেমাত্র দায়িত্ব নিয়েছি। বিষয়টি জানতে পারলাম। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন