বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ১১ নভেম্বর শরীয়তপুর সদর উপজেলার নয়টি ইউনিয়নে নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হয়। তুলাশার ইউপির আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন ঢাকা মহানগর ২১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য জাকির হোসেনের পরিবার। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শরীয়তপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাচ্চু ব্যাপারীর সমর্থকেরা জাকিরের ভাই মেহেদী হাসানকে কুপিয়ে আহত করেন। ওই ঘটনায় মামলা করার জন্য ১৬ নভেম্বর পালং মডেল থানায় যান জাকির। রাত সাড়ে আটটার দিকে জাকিরের ডান পায়ে গুলি করার অভিযোগ ওঠে কাউন্সিলর বাচ্চু ব্যাপারীর বিরুদ্ধে। দুটি ঘটনায় পালং মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।

১৪ নভেম্বর ডোমসার ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজয়ী ও পরাজিত সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ৪০ জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। সেখানেও আগ্নেয়াস্ত্র, দেশি অস্ত্র ও ককটেল ব্যবহার করা হয়েছে। এক পক্ষ থানায় মামলাও করেছে। পুলিশ কোনো অস্ত্র উদ্ধার ও আসামি গ্রেপ্তার করেনি।

আংগারিয়া ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আসমা আক্তার বলেন, ‘দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকেরা প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়েছেন। আমার কর্মীদের ওপর হামলা করেছেন। এমন ভিডিও পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। এরপরও পুলিশ অস্ত্র উদ্ধার করেনি। আওয়ামী লীগের কর্মীরা এখন আতঙ্কে এলাকায় থাকতে পারেন না।’

সম্প্রতি ঢাকার আওয়ামী লীগ নেতাকে শরীয়তপুরে গুলি এবং যুবলীগের বর্ধিতসভা ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলার আসামি কাউন্সিলর বাচ্চু ব্যাপারী। পুলিশের ভাষ্য, তিনি পলাতক। এ বিষয়ে বাচ্চু ব্যাপারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

পালং মডেল ওসি আক্তার হোসেন বলেন, সম্প্রতি দুটি ঘটনায় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে থানায় মামলা হয়েছে। একটি মামলার দুজন আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর অন্য মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার এস এম আশ্রাফুজ্জামান বলেন, মামলা ধরে তদন্ত করছে পুলিশ। যে মামলায় অস্ত্র ব্যবহারের তথ্য আছে, সেখানে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন