বিজ্ঞাপন

কর্মকর্তাদের মধ্যে এ সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফিরোজ হোসেন, দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা অমিত বিশ্বাস, পুলিশের অভিবাসন শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল আলিম, ৬ বিজিবির নায়েব শেখ শহিদুর রহমান ও হাবিলদার রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

আবদুল আলিম প্রথম আলোকে জানান, উপহাইকমিশন থেকে অনাপত্তিপত্র না পাওয়ায় আজ রোববার কেউই ফিরতে পারেননি। তবে, আজ থেকে অনাপত্তিপত্র ইস্যু হচ্ছে বলে জানা গেছে।

৯ মে থেকে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের অনাপত্তিপত্র দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এ কারণে পূর্ব ঘোষণা সত্ত্বেও আজ রোববার অনাপত্তিপত্রের অভাবে কেউই দর্শনা বন্দর হয়ে দেশে প্রবেশ করতে পারেননি।

এর আগে আন্তমন্ত্রণালয়ের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে চুয়াডাঙ্গার দর্শনাসহ দেশের তিনটি বন্দরকে নির্বাচন করা হয়।

এ ক্ষেত্রে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন থেকে অনাপত্তিপত্র, সর্বশেষ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষার নেগেটিভ সনদ, বৈধ ভিসা ও পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়। সেই সঙ্গে ২৩ মে যাঁদের ভিসার মেয়াদ শেষ হবে এবং মৃতদেহের সঙ্গে যাঁরা দেশে ফিরতে চান, উপহাইকমিশন থেকে তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য অনাপত্তিপত্র পেতে নির্দিষ্ট ফরমে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপহাইকমিশনের ওয়েবসাইটে ১৪ মে ফরম প্রকাশ করা হয়। সেখানে আবেদনকারীর নাম, ভারতে অবস্থানের ঠিকানা (হাসপাতালের নামসহ), পাসপোর্ট নম্বর, ভিসার ধরন ও ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং কে কোন বন্দর হয়ে দেশে ফিরতে চান, তা উল্লেখ করতে হবে। দেশে ফিরে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকা মর্মেও অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর নেওয়া হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার প্রথম আলোকে জানান, তিনি আজ দুপুরে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের কনস্যুলার বশির উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলেছেন। অনলাইনে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ থেকে অনাপত্তিপত্র ইস্যু করা শুরু হয়েছে। আশা করা যায় আগামীকাল সোমবার অথবা মঙ্গলবার থেকে দর্শনা বন্দর দিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকেরা দেশে ফিরতে পারবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন