বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ৫ জুন অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির মজুমদারের বিরুদ্ধে কলেজের ৫৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগে বলা হয়, অধ্যক্ষ কলেজের ২৯টি ব্যাংক হিসাব থেকে ভুয়া বিল–ভাউচারের মাধ্যমে এই টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন। এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর তাঁরা একই দাবিতে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন। এ নিয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর ‘পাঠদান শুরুর প্রথম দিনেই অধ্যক্ষের অপসারণ দাবি’ শিরোনামে প্রথম আলোতে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন বলেন, সকালে ক্যাম্পাসে এসে শিক্ষার্থীরা জোটবদ্ধ হন। এরপর তাঁরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে যান। সেখানে তাঁরা মানববন্ধন করেন। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের দুর্নীতির বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরে পোস্টার–ব্যানার প্রদর্শন করেন।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, অধ্যক্ষের দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতায় শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছেছে। অধ্যক্ষের জন্য কলেজের দীর্ঘদিনের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। কলেজে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হয়েছে। ফলে অধ্যক্ষের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও দুর্নীতি দমন কমিশন পাবনা কার্যালয়ে স্মারকলিপি দেন। স্মারকলিপি হাতে নিয়ে জেলা প্রশাসক বিশ্বাস রাসেল হোসেন শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবগত করবেন বলে আশ্বাস দেন।

এ প্রসঙ্গে জানতে অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করবেন না বলে জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন