বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রেমিট্যান্স পাঠানোর দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড সখীপুর শাখা। এ শাখায় এবারের রমজানে টাকা জমা হয়েছে ৫ কোটি ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। তৃতীয় অবস্থানে সোনালী ব্যাংক সখীপুর শাখা। সোনালী ব্যাংকে ৩ কোটি ৭২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা এসেছে। চতুর্থ অবস্থানে মার্কেন্টাইল ব্যাংক। তাঁদের ২৩১টি অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩২ হাজার টাকা প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন।

গড়গোবিন্দপুর গ্রামের জেসমিন আক্তারের স্বামী চার বছর ধরে মালয়েশিয়ায় রয়েছেন। এবার তাঁর স্বামী ন্যাশনাল ব্যাংকের হিসাবে ঈদ করার জন্য ১ লাখ টাকা পাঠিয়েছেন। শ্বশুর, শাশুড়ি ও বাচ্চাদের জন্য নতুন জামাকাপড়, জুতা, শাড়ি ছাড়াও নিত্যপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতে সখীপুর শহরের বিপণিবিতানে এসেছেন। জেসমিন বলেন, গত বুধবার তাঁরা ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বৃহস্পতিবার এসেছেন কেনাকাটা করতে।

টাঙ্গাইল শাড়িঘরের মালিক ইউসুফ আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রবাসীদের স্ত্রীরা বেশি বেশি শাড়ি কিনছেন। প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার শাড়ি বিক্রি হচ্ছে। প্রবাসীরা টাকা না পাঠালে তাঁদের বেচাকেনা হয়তো কমে যেত বলে তিনি জানান।

ইউএনও ফারজানা আলম বলেন, ‘প্রবাসীরা অনেক পরিশ্রম করে টাকা রোজগার করে নিজের জন্মভূমিতে পাঠাচ্ছেন। সেই রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের অভিনন্দন ও ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন