default-image

তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার তদন্তে সিলেট এমসি কলেজ এলাকা পরিদর্শন করেছে হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত অনুসন্ধান দল। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে অনুসন্ধান দলের সদস্যরা ছাত্রাবাস, নতুন ভবনসহ আশপাশ এলাকা পরিদর্শন করেন। এর আগে তাঁরা এমসি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সালেহ আহমদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

তদন্ত দলে সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ মো. বজলুর রহমান, সদস্য সিলেট মেট্রোপলিটন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল কাশেম ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিন নেছা ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মমিনুন নেছা।

যোগাযোগ করলে এমসি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সালেহ আহমদ অনুসন্ধান দলের পরিদর্শন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় গঠিত অনুসন্ধান দলের সদস্যরা কলেজ পরিদর্শন করেছেন। তাঁদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে বৈঠক হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে বৈঠকে কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলা যাবে না।’

বিজ্ঞাপন

কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার ঘটনার দায় নিরূপণে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তাঁদের আগামী ১৫ দিনের মধ্যে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার মারফত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনায় গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদন নজরে এনে প্রয়োজনীয় আদেশের আরজি জানান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন। শুনানি শেষে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের ভার্চ্যুয়াল বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ ওই আদেশ দেন।

ধর্ষণের শিকার তরুণীকে রক্ষায় অবহেলা ও অছাত্রদের কলেজে অবস্থান বিষয়ে নীরবতায় অধ্যক্ষ ও হোস্টেল সুপারের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। শিক্ষাসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, এমসি কলেজের অধ্যক্ষ, হোস্টেল সুপারসহ বিবাদীদের দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতেও বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ১৮ অক্টোবর পরবর্তী আদেশের জন্য দিন রেখেছেন আদালত।

গত শুক্রবার রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে ছাত্রাবাস দখল করে থাকা ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে পরিচিতি ছয়জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়। আসামি ছয়জনসহ এজাহারের বাইরে থাকা আরও দুজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন