বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভা শেষে মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী আপত্তি তুলে নিয়ে সিডিএর নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী কাজ করতে বলেছেন বলে জানান সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, প্যানেল মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম ও মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম। সিডিএর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস ও প্রকল্প পরিচালক মাহফুজুর রহমান।

চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করছে সিডিএ। তবে এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের শুরুর প্রান্ত অর্থাৎ লালখান বাজারের নকশা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন।

গত ৮ জুন সিডিএ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের এক সমন্বয় সভায় এক্সপ্রেসওয়ে শুরুর প্রান্তর নকশা চূড়ান্ত করা হয়। এ নকশা অনুযায়ী পতেঙ্গা থেকে আসা চার লেনের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটির দুই লেন নেমে যাবে লালখান বাজার মোড়ের আগে। বাকি দুই লেন রাস্তার ডান পাশ (পূর্ব) দিয়ে সোজা জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের সামনে আখতারুজ্জামান চৌধুরী উড়ালসড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে।

এ নকশা অনুযায়ী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হলে টাইগারপাস এলাকার পাহাড়ি সৌন্দর্য নষ্ট হবে—এ জন্য এ নকশা সংশোধনের দাবি জানায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরাম ও চট্টগ্রাম ঐতিহ্য রক্ষা পরিষদ। ইতিমধ্যে সিটি করপোরেশন দুই দফা চিঠি দিয়েছে সিডিএকে। তবে কোনো চিঠিরই উত্তর দেয়নি সিডিএ।

সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস প্রথম আলোকে বলেন, সিডিএর নকশা নিয়ে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে যেসব আপত্তি দেওয়া হয়েছিল, তার সপক্ষে জোরালো কোনো যুক্তি উপস্থাপন করতে পারেনি। ফলে মেয়র সিডিএর নকশা অনুযায়ী কাজ করার জন্য বলেছেন। আর মেয়র এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য নগরের সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায় বিমানবন্দরমুখী একটি র‌্যাম্প নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছেন। এ ছাড়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ চলাকালে নালা ও ফুটপাতের কাজ সিডিএ করবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জানতে চাইলে বৈঠকে অংশ নেওয়া সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের শুরুর প্রান্তের নকশা অনুযায়ী কাজ হলে পাহাড় কাটা ও সৌন্দর্য নষ্টের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু উপস্থাপনা দেখে মনে হয়েছে তেমন কিছু হবে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন