আজ সকাল থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত টাঙ্গাইল শহর বাইপাস থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন এলেঙ্গা পর্যন্ত স্বাভাবিক গতিতে চলছে। তবে এলেঙ্গা থেকে সেতু পর্যন্ত যানবাহনগুলো ধীরগতিতে চলাচল করছে।

এলেঙ্গায় হাবিবুর রহমান নামের একজন জানালেন, তাঁরা কয়েকজন মিলে মাইক্রোবাস ভাড়া করে রাজশাহীতে যাচ্ছেন। হাবিবুর রহমান বলেন, ঢাকা থেকে এলেঙ্গা পৌঁছাতে প্রায় চার ঘণ্টা সময় লেগেছে। অন্যান্য ঈদের সময় টাঙ্গাইল পর্যন্ত আসতেই আরও কয়েক ঘণ্টা বেশি সময় লাগে। এবার যানজটে পড়ার আশঙ্কায় খুব ভোরে মাইক্রোবাসযোগে রওনা দিয়েছেন। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কিছু বেশি সময় লাগলেও যানজটে পড়তে হয়নি।

এলেঙ্গায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (টিআই) এশরাজুল হক জানান, মহাসড়কের গোড়াই থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত আট শতাধিক পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। ঢাকা থেকে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পর্যন্ত মহাসড়কটি চার লেন। তার পর থেকে সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার সড়ক দুই লেন।

অন্যান্যবার এই দুই লেন সড়কে যানজট শুরু হতো। তবে এবার এলেঙ্গা থেকে সেতু পর্যন্ত সড়কটি শুক্রবার থেকে একমুখী (ওয়ানওয়ে) করে দেওয়া হয়েছে। এই সড়ক দিয়ে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন চলছে। ফলে দুই লেন সড়ক হলেও চার লেনের মতো সুবিধায় যানবাহন চলাচল করতে পারছে। উত্তরবঙ্গ থেকে সেতু পার হয়ে আসা ঢাকাগামী যানবাহন বিকল্প সড়ক ভূঞাপুর হয়ে এলেঙ্গা পর্যন্ত আসছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. আতোয়ার রহমান বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে গতকাল অধিকাংশ তৈরি পোশাক কারখানা ছুটি হয়েছে। এতে গতকাল সন্ধ্যা থেকে অতিরিক্ত সড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে এখনো বড় কোনো যানজট নেই। আজ থেকে যানবাহনের চাপ কমে যাবে বলে আশা করছেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন