বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভায় শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যিনি আমাদের দেশের উন্নয়নের কান্ডারি। তাঁর নামে নেত্রকোনায় শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। এটা নেত্রকোনাবাসীর বড় গর্বের বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো হওয়াটা সময়সাপেক্ষ বিষয়। কিন্তু অবকাঠামোর চেয়ে একাডেমিক কার্যক্রম আমরা কতটুকু এগিয়ে নিতে পেরেছি, সেটাই আসল বিষয়।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ‘একাডেমিক মানটাকে যেহেতু আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি, সেখানে শিক্ষকদের মানটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, সেটা দেখার জন্য আমাদের মন্ত্রী মহোদয়ের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানসহ আমরা বেশ কয়েকবার বসেছি। এ ক্ষেত্রে আমরা কোনোভাবেই ছাড় দেব না।’

উপমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে আয়োজিত সভা পরিচালনা করেন শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের পরিচালক সেলিম আহমেদ। এতে ট্রেজারার অধ্যাপক সুব্রত কুমার আদিত্য, জেলা প্রশাসক কাজী মো. আবদুর রহমান, পৌর মেয়র মো. নজরুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ফকরুজ্জামান, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তফসির উদ্দিন খান, রেড ক্রিসেন্টের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক গাজী মোজাম্মেল হোসেন প্রমুখ।

স্থানীয় বাসিন্দা ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১১ অক্টোবর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। শহরের রাজুর বাজার এলাকায় ৫০০ একর জমিতে স্থাপিত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বর্তমানে ওই এলাকার টিটিসিতে অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। গত বছর একনেকে ২ হাজার ৬৩৭ কোটি ৪০ লাখ ৯৯ হাজার টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে তিনটি অনুষদ কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে চারটি বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়। এখানে ১১ জন শিক্ষক, ৪২ জন কর্মকর্তা–কর্মচারী এবং ১৯৮ জন শিক্ষার্থী আছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন