বিজ্ঞাপন

ওই সময় নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন কর্মচারী বলেছিলেন, ‘স্বাস্থ্য কর্মকর্তার গাড়ির বাম্পার, নতুন এসি ও মেঝের কার্পেট স্যারের নিজস্ব উপহার পাওয়া সম্পদ। তাই স্যারের সম্পদ স্যার নিয়ে গেছে।’

দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘ওএসডি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহীনূর আলম সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাজির হয়ে এসি, গাড়ির বাম্পার ও কার্পেট গিফট করার জন্য (ফেরত দেওয়ার) আমার বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেন। পরে এসি, গাড়ির বাম্পার ও কার্পেট দাপ্তরিকভাবে গ্রহণ করা হয়।’

এদিকে শাহীনূর আলমের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। এ সময় তাঁরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি পল্লিচিকিৎসকদের লিখিত জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

কুমিল্লার তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরফরাজ হোসেন খানের নেতৃত্বে কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন ও চিকিৎসা কর্মকর্তা (এমও) চিকিৎসক ইশরাত জাহান।

তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরফরাজ হোসেন খান বলেন, তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। তবে লকডাউন ও ঈদুল ফিতরের কারণে তদন্ত কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন