বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল মঙ্গলবার সকালে পৌরসভার মির্জারকোট এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, ওজন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রটি তালাবদ্ধ। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ওজন পরিমাপের জন্য তিন-চারজন কর্মচারী ছিলেন। যন্ত্রটি চালু না হওয়ায় কর্মচারীদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

পাটগ্রামের স্থানীয় ট্রাকমালিকেরা বলেন, শিগগির এই যন্ত্র চালু করতে হবে। তাহলে ট্রাকচালকেরা অতিরিক্ত পণ্য পরিবহন করতে পারবেন না। ফলে ট্রাকের যন্ত্রাংশের আয়ু বেড়ে যাবে। অতিরিক্ত ওজনের কারণে দুর্ঘটনাও ঘটবে না।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মহাসড়ক দিয়ে অতিরিক্ত পণ্য (ওভারলোডিং) বহন রোধে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় লালমনিরহাট সড়ক বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আলতাফ হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদার ও থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাফিজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। ওই সড়ক দিয়ে বিভিন্ন পণ্যবাহী ট্রাক আটক করে স্থানীয় বেসরকারি ওজন যন্ত্রে (স্কেল) ওজন করা হয়। এতে সাতটি ট্রাকে পণ্যের ওজন অতিরিক্ত থাকায় চালকদের কাছ থেকে ২৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

ইউএনও সাইফুর রহমান বলেন, সড়ক পরিবহন আইন না মেনে অতিরিক্ত পণ্য পরিবহনে সড়কের ক্ষতি করায় ওই জরিমানা করা হয়।

লালমনিরহাট সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদার প্রথম আলোকে বলেন, ওজন পরিমাপক যন্ত্রটি স্থাপনের পর দুইবার চালু করার জন্য পরীক্ষা করা হয়েছিল। কিন্তু যন্ত্রটি নষ্ট হয়ে যায়। পরে মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাঠালেও তারা মেরামত করতে পারেনি। তাই সেটি অকেজো রয়েছে। এখানে একটি নতুন যন্ত্র বসাতে হবে। তা ছাড়া চার লেন সড়কের কাজ শুরু হলে এই যন্ত্র স্থাপন করা হবে। সেখানে অতিরিক্ত মালামাল নামানোর জায়গাও থাকবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন