বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, গত বুধবার নগরের আসাদগঞ্জের ব্যবসায়ী মো. লুৎফর রহমানকে কোতোয়ালি থানার ওসি পরিচয়ে ফোন করা হয়। তাঁকে বলা হয়, এলাকায় ব্যবসা করতে হলে পুলিশকে দুই লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে। টাকা পাঠানোর জন্য একটি নগদ নম্বরও দেওয়া হয়। ভয়ে ওই ব্যবসায়ী প্রতারকদের দেওয়া নম্বরে ১৫ হাজার টাকা পাঠান। পরদিন বৃহস্পতিবার বিষয়টি কোতোয়ালি থানাকে জানান তিনি। এরপর পুলিশ তদন্ত করে আজ বাকলিয়া বউবাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত আজিম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চক্রের বাকি দুই সদস্যকেও গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার বাকি দুজন হলেন আরিফ হোসেন ও মো. তারেক।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার আসামিরা স্বীকার করেন, তাঁরা কোতোয়ালি, পাঁচলাইশ ও পতেঙ্গা থানার ওসি, আবার কখনো এসআই মিজান পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে লোকজনের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চক্রের সদস্যরা কখনো রিকশাচালক, আবার কখনো দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন।

নেজাম উদ্দিন আরও বলেন, প্রতারণার কৌশল হিসেবে ভুক্তভোগী বা সেবাপ্রার্থী সেজে বিভিন্ন থানায় গিয়ে সেখানকার ওসি, ওসি (তদন্ত) ও অন্য কর্মকর্তাদের নাম সংগ্রহ করেন তাঁরা। এরপরে তাঁরা থানায় সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তাৎক্ষণিক ওই ঘটনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে বাদী ও বিবাদীর কাছে চাঁদা দাবি করেন। টাকা আদায়ের পরে ব্যবহৃত মুঠোফোন বন্ধ করে দেন তাঁরা। সম্প্রতি সমীর চৌধুরী নামের এক ব্যক্তিকে ভুয়া মামলার কথা বলে পাঁচ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় এই চক্র।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন