ওসি প্রদীপসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা

বিজ্ঞাপন
default-image

কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান আদালতে মামলাটি করেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার আরজিতে ফরিদুল মোস্তফা খানের ওপর নানাভাবে শারীরিক নির্যাতন, হত্যাচেষ্টা, মিথ্যা মামলা দায়েরসহ নানা অভিযোগ আনা হয়েছে। দুপুরে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে মামলাটি করা হয়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
চাঁদার টাকা না পেয়ে বিভিন্ন লোকজনকে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যার অভিযোগে কক্সবাজারের বিভিন্ন আদালতে ওসি প্রদীপসহ পুলিশের শতাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে আরও সাতটি মামলা রয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ফখরুল ইসলাম গুন্দু বলেন, মামলাটি আমলে নিয়ে আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন। মামলায় ওসি প্রদীপকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া টেকনাফ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ বি এম এস দোহা, পরিদর্শক (অপারেশন) রফিকুল ইসলাম খান, উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুজ্জামান, সাইফুল করিমসহ পুলিশের ২৬ জন সদস্যকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশের বাইরে হ্নীলা ইউনিয়নের জহিরুল ইসলাম ও আবুল কালাম আলম এবং হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নুরুল আমিন ও মফিজ আহমদকে আসামি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফরিদুল মোস্তফা খান অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘জনতার বাণী ডটকম’ ও ‘দৈনিক কক্সবাজার বাণী’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক। এক বছর আগে চাঁদাবাজি, অস্ত্র, মাদকসহ নানা অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় ৬টি মামলা হয়। এরপর পুলিশ রাজধানী থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। ১১ মাস ৫ দিন কারাভোগের পর গত ২৭ আগস্ট তিনি জামিনে মুক্ত হন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান নিহত হন। এ ঘটনায় হওয়া মামলার অন্যতম আসামি ওসি প্রদীপ ৪ দফায় টানা ১৫ দিনের রিমান্ড শেষে বর্তমানে জেলা কারাগারে রয়েছেন। চাঁদার টাকা না পেয়ে বিভিন্ন লোকজনকে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যার অভিযোগে কক্সবাজারের বিভিন্ন আদালতে ওসি প্রদীপসহ পুলিশের শতাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে আরও সাতটি মামলা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন