বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আটক ওই যুবকের নাম মো. জুম্মান হোসেন (৩০)। তিনি নগরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালির ঠাকুরবাড়ি এলাকার মো. আবদুল জলিল মুনসির ছেলে। কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. লোকমান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা সূত্র জানায়, আজ সকাল ১০টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ফটকে জুম্মান হোসেন নামের ওই যুবক হাতে একটি ওয়াকিটকি সেট ও দুটি কার্ড পকেটে ঝুলিয়ে ঘোরাঘুরি করেছিলেন। একপর্যায়ে হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজনদের সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়ে এবং হাসপাতালের সামনের ফুটপাতের দোকানদারদের কাছ থেকে নিজেকে পুলিশের লোক পরিচয় দিয়ে টাকা আদায় করছিলেন। এ সময় লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে তাঁরা বিষয়টি কোতোয়ালি থানা–পুলিশকে ফোন করে জানান।

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে হাসপাতালে পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তিনি (জুম্মান) স্বীকার করেন, ভুয়া পুলিশ পরিচয় দিয়ে তিনি লোকজনের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা তুলছিলেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. লোকমান হোসেন বলেন, আটক জুম্মান হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই নগরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে পুলিশ পরিচয় দিয়ে লোকজনের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায় করছিলেন। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন