বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছাত্রদল সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লায় সংগঠনটির দুটি পক্ষ আছে। এক পক্ষে রয়েছেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিন উর রশিদের অনুসারীরা। আরেক পক্ষে রয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. মনিরুল হকের অনুসারীরা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন কমিটির তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর বুধবার কুমিল্লা নগরে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা মিছিল করেন সিটি মেয়র মনিরুলের অনুসারীরা। অন্যদিকে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা আজ দুপুরে নগরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে ২২ ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে ‘প্রকৃত, ত্যাগী’ ছাত্রদল কর্মীদের বাদ দিয়ে ‘প্রবাসী, ছাত্রলীগ, বিবাহিত ও অছাত্রদের’ দিয়ে কমিটি গঠন করার অভিযোগ তুলে একজন সদস্যসচিব, ছয়জন যুগ্ম আহ্বায়কসহ নয়জন পদত্যাগ করেন। তাঁরা ওই দুই ওয়ার্ডে ঘোষিত কমিটির ওপর অনাস্থাও দেন। তাঁরা সদর দক্ষিণের নয়টি ওয়ার্ডে নতুন কমিটি করার দাবি জানান। ২২ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল আউয়াল ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যসচিব শরিফুল ইসলাম আগামী ২০ দিনের মধ্যে ত্যাগী ও সক্রিয় ছাত্রদল নেতাদের নিয়ে কমিটি গঠন করার দাবি জানান।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ১১ জুলাই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ সময়ের পর ২০১৮ সালের ৫ জুন প্রথমবারের মতো কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের ১৫ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ঘোষিত ওই কমিটি নিয়ে তখন ক্ষোভ প্রকাশ করেন মেয়র মো. মনিরুল হকের অনুসারীরা। কারণ, ওই কমিটিতে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ পদগুলোতে স্থান পেয়েছেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিন উর রশিদের অনুসারীরা। এবার মেয়রের অনুসারীরা প্রত্যাশার তুলনায় বেশি পদ পেয়েছেন। যে কারণে তাঁরা খুশি।

আমিন উর রশিদের অনুসারী কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘এই কমিটি নিয়ে অসন্তুষ্ট আমরা। কেন্দ্রকে বিষয়টি জানিয়েছি। এতে বিবাহিত, অছাত্র ও প্রবাসী আছে। আমরা তালিকা করে কেন্দ্রকে শিগগিরই জানাব।’
মেয়র পক্ষের অনুসারী মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফ উদ্দিন বাহার বলেন, কেন্দ্র কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি ভালো হয়েছে। যোগ্যদের দিয়ে কমিটি হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন