গতকাল সোমবার বিদ্যালয়টিতে গিয়ে দেখা যায়, দুটি পাকা ভবনে শ্রেণিকক্ষ সাতটি। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বসার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আরও দুটি কক্ষ। বেশ কয়েক বছর আগে ঝড়ে টিনশেডের কক্ষগুলো বিধ্বস্ত হওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে। জানা গেল, বিধ্বস্ত হওয়া কক্ষগুলো পরে আর মেরামত হয়নি।

প্রধান শিক্ষক সুলতান মাহমুদ তালুকদার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টি কক্ষসংকটে পড়েছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক কক্ষ না থাকায় প্রতিটি কক্ষে গাদাগাদি করে শিক্ষার্থীরা বসে পড়ালেখা করছে।

চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী সিনথিয়া রহমান বলে, তাদের শ্রেণির ৭৮ জন ছাত্র-ছাত্রী ২টি শাখায় ক্লাস করে। একসঙ্গে একটি কক্ষে প্রায় ৪০ জন ছাত্র-ছাত্রী বসে।

২০১০ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বিদ্যালয়টির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায়, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৫২ জন। এ সময়ে বৃত্তি পেয়েছে ৮৬ জন।

দুজন সহকারী শিক্ষক বলেন, কক্ষসংকটের কারণে প্রতিটি কক্ষে শিক্ষার্থীদের গাদাগাদি করে ক্লাস করতে হয়। প্রায় বছর দুই আগে বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে সীমানা দেয়াল তৈরির কাজ শুরু হলেও এখনো শেষ হয়নি।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সোনাখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা কামাল প্রথম আলোকে বলেন, নতুন ভবন নির্মাণ, পুরোনো টিনশেডের কক্ষগুলো মেরামতসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

রায়গঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, নিমগাছী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য নতুন একটি ভবন নির্মাণের চাহিদাপত্র দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন