বিজ্ঞাপন

তবে আড়াই হাজার গরু নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরের নেতারা। তাঁদের দাবি, গত বছর ১১ লাখ রোহিঙ্গার জন্য আট হাজারের মতো গরু কোরবানি দেওয়া হয়েছিল। এবার তাদের জন্য মাত্র আড়াই হাজার গরু। এতে বহু রোহিঙ্গা পরিবার মাংস পাবে না।

উখিয়ার বালুখালী শিবিরে রোহিঙ্গা আছে ৭৮ হাজারের বেশি। এখানকার জন্য বরাদ্দ ৪০টির মতো গরু। এই শিবিরের রোহিঙ্গানেতা জামাল হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য কেনা গরুগুলো আকারেও ছোট। প্রতিটির ওজন দুই থেকে তিন মণ। এতে বহু রোহিঙ্গা পরিবারে মাংস পৌঁছানো সম্ভব হবে না।

কুতুপালং ক্যাম্পের রোহিঙ্গানেতা জালাল আহমদ বলেন, গত বছরের কোরবানির ঈদে এই ক্যাম্পে ৭০টির বেশি গরু জবাই হয়েছিল। এবার ৫০টির বেশি গরু পাওয়া যাবে না। তবে ধনাঢ্য কয়েকজন রোহিঙ্গা উখিয়া ও টেকনাফের বাজার থেকে গরু-মহিষ কিনে আনছেন।

অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ শামছু-দ্দৌজা প্রথম আলোকে বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার রোহিঙ্গারা কম গরু বরাদ্দ পাচ্ছে ঠিক। এতে কিছু রোহিঙ্গা পরিবারে মাংসপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হতে পারে। তবে বহু রোহিঙ্গা পরিবার সামর্থ্য অনুযায়ী গরু, মহিষ, ছাগল কিনে কোরবানি দিচ্ছে। শরণার্থীদের মধ্যে কারা মাংস পাবে, তা ঠিক করছেন রোহিঙ্গানেতারাই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন