বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত বেলাল হোসেন কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ইউনিয়নের নতুনপাড়া এলাকার আবদুল হাকিমের ছেলে। তিনি কক্সবাজারে ৩৯ আনসার ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজার ৩৯ আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা কমান্ডার অম্লান জ্যোতি নাথ বলেন, ঘটনা তদন্তের জন্য আজ শুক্রবার দুপুরে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে কমিটি। তখন জানা যাবে ঘটনার প্রকৃত কারণ।

আনসারের আরেক সদস্য মো. হোসাইন গুলি আনলোড করার সময় বিকট শব্দে গুলি বেরিয়ে সামনে দাঁড়ানো বেলাল হোসেনের কপালে গিয়ে বিদ্ধ হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে অম্লান জ্যোতি নাথ বলেন, ‘রামুর ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ ও গণনা শেষে আনসার সদস্যরা রাতে রামু উপজেলা কমপ্লেক্সে ফিরে আসেন। এ সময় থানা-পুলিশের কাছে অস্ত্র জমাদানের সময় আনসার সদস্য মো. হোসাইন গুলি আনলোড করতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত ফায়ারিং হয়, যা সরাসরি আনসার সদস্য বেলাল হোসেনের কপালে গিয়ে লাগে। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় বেলালকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) শাহীন মো. আবদুর রহমান চৌধুরী বলেন, কপালে গুলি লেগে আনসার সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রামু থানার ওসি আনোয়ারুল হোছাইন বলেন, ‘আনসার সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় আজ বিকেল পর্যন্ত কেউ মামলা করতে আসেননি। অসাবধানতাবশত বন্দুক থেকে গুলি বেরিয়ে আনসার সদস্যের কপালে গিয়ে লেগেছে বলে প্রাথমিক তদন্তের জানতে পেরেছি। আরও অনুসন্ধান চলছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন