স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন সংগঠনটির প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল। এ সময় জেলা প্রশাসক নদী দখল ও প্যারাবন ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নদী ও প্যারাবন রক্ষার আশ্বাস দেন তিনি।

কিছুদিন ধরে কক্সবাজার শহরের কস্তুরাঘাটের বাঁকখালী নদীর জোয়ার-ভাটা বাঁধ দিয়ে বন্ধ করে প্যারাবনের অন্তত ১৫ হাজার গাছ কেটে ভরাট করছে দখলদারেরা।

নদী ও প্যারাবন রক্ষায় ১৩ দফা দাবি হলো বাঁকখালী নদীর অবৈধ দখল বন্ধ করা, বাঁকখালী নদীর প্যারাবন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা, প্যারাবনে থাকা পাখির আবাসস্থল রক্ষা করা, নদীর জোয়ার-ভাটা বাঁধ কেটে ভরাট বন্ধ করে নদীর গতি–প্রকৃতি ঠিক রাখা, প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট প্যারাবনের জমি থেকে খাজনা আদায় বন্ধ করে সিকস্তির মাধ্যমে খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা, নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করে সব প্রকার দূষণ বন্ধ করা, নদী দখল, প্যারাবন নিধন ও জোয়ার-ভাটার প্রবাহ বন্ধ করে ভরাটকারীদের আইনের আওতায় আনা, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করা ও বালু উত্তোলনের নীতিমালা অনুসরণ করা, নদী ও নদীতীরের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে তাতে প্যারাবন সৃজন করা, নৌপথে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করা, নদী রক্ষা কমিটির কার্যক্রম জোরদার করা, নদীর সীমানা নির্ধারণ করা এবং আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করা।

এর আগে নদী ও প্যারাবন রক্ষায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি, নদী পরিদর্শন, মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।

কিছুদিন ধরে কক্সবাজার শহরের কস্তুরাঘাটের বাঁকখালী নদীর জোয়ার-ভাটা বাঁধ দিয়ে বন্ধ করে প্যারাবনের অন্তত ১৫ হাজার গাছ কেটে ভরাট করছে দখলদারেরা। সেখানে থাকা হাজার হাজার পাখির আবাসস্থল ধ্বংস করা হয়। ভরাট করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক চলছে বাঁকখালী নদীতে। বর্তমানে বাঁকখালী নদীর শতাধিক একর জমিতে অবৈধ দখলদারদের রাজত্ব চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন