বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশ গঠিত হয়েছে বলেই পর্যটকেরা এখন (সৈকতে) নির্বিঘ্নে ভ্রমণ করতে পারছেন। ১০ বছর আগেও পর্যটকেরা এখনকার মতো স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরতে পারতেন না। পর্যটকদের নিরাপত্তা আরও নিশ্চিত করতে হবে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে ট্যুরিস্ট পুলিশকে আরও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেনকে উদ্দেশ্য করে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘আপনারা কঠোর হোন। আর কোনো সহিংসতা যেন এখানে (কক্সবাজারে) আমাদের আর দেখতে না হয়। আপনি যেভাবে পারেন এর ব্যবস্থা করুন।’ তিনি বলেন, ‘যদি রোহিঙ্গারা রক্তপাত ঘটায়, মাদক আনে—তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে আমরা বাধ্য হব।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য দেন ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান পুলিশের ডিআইজি মোর্শেদুল আনোয়ার খান।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন কক্সবাজারের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ কানিজ ফাতেমা আহমেদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম–সম্পর্কিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

এর আগে ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শোভাযাত্রাটি সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে এক কিলোমিটার উত্তরে লাবণী পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। ১১ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিন এই কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. জিললুর রহমান।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। ৫ নভেম্বর রাতে নিজ শহরতলির লিংক রোড এলাকার কার্যালয়ে বৈঠক করার সময় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার ও তাঁর ছোট ভাই স্থানীয় ঝিলংজা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি সদস্য কুদরত উল্লাহ সিকদার। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ নভেম্বর দুপুরে জহিরুল ইসলাম সিকদারের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কুদরত উল্লাহ সিকদারের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন তাঁর পরিবার। এ ছাড়া সম্প্রতি কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরেও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন