বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সকালে শহরের বিমানবন্দর সড়কের কক্সবাজার এয়ারপোর্ট পাবলিক স্কুলে গিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষকে ভিড় দেখা যায়। দুপুরে কক্সবাজার সৈকত বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে দেখা যায় টিকার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন দুই শতাধিক নারী-পুরুষ।

শহরের গাড়িরমাঠ এলাকা থেকে টিকা নিতে আসা গৃহবধূ গুলজার বেগম বলেন, সকাল ১০টায় টিকার জন্য তিনি লাইনে দাঁড়িয়েছেন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত টিকা নেওয়া হয়নি। তাঁর সামনে আরও ৪ জন ও পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন ২১ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগের টিকা কার্যক্রমের ইউনিয়ন সুপারভাইজার আবদুল মতিন বলেন, যাঁরা টিকা নিতে আসছেন, তাঁদের প্রথমে কারোনাঝুঁকি বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে। মুখে মাস্ক না থাকলে তা পরিধান করার তাগিদ দেওয়া হয়। তারপর প্রথম ডোজের টিকা কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেখে নেওয়া হচ্ছে টিকাদান কক্ষে।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, সকাল ৮টা থেকে জেলার ৪টি পৌরসভা—কক্সবাজার, টেকনাফ, চকরিয়া ও মহেশখালী এবং ৯টি উপজেলার ৭০টি ইউনিয়নে ২৫০টি বুথে একযোগে শুরু হয়েছে করোনার গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ কর্মসূচি। প্রতিটি বুথে ২০০ জন করে ২৫০টি বুথে অন্তত ৪৬ হাজার টিকা প্রয়োগ করা হবে। ২৫০টি বুথে গণটিকা কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছেন ৫২২ জন প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী ও ৭৫৬ জন স্বেচ্ছাসেবক।

তবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় টেকনাফের সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ইউনিয়নে টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ রাখা হয়েছে। একই কারণে সেখানে প্রথম ডোজ প্রয়োগ বন্ধ রাখা হয়েছিল।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত আড়াই ঘণ্টায় জেলার ২৫০টি কেন্দ্রে করোনার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন অন্তত ১৩ হাজার নারী-পুরুষ। বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময়ে আরও ৩৩ হাজার মানুষকে টিকা প্রয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত আছে।

সকাল নয়টায় চকরিয়ার কয়েকটি টিকাকেন্দ্র ঘুরে দেখেন সিভিল সার্জন মাহবুবুর রহমান। দুপুর ১২টায় তিনি প্রথম আলোকে বলেন, জেলায় গণটিকার প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন প্রায় ৪৬ হাজার মানুষ। সমসংখ্যক লোকজনকে আজ দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন