default-image

কক্সবাজার সৈকতের কলাতলী এলাকার হোটেলের কক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া লাশটি রোহিঙ্গা তরুণী ছেনুয়ারা বেগমের (২১)। তিনি টেকনাফের একটি রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি ওই শিবির থেকে চট্টগ্রাম মহানগরে গিয়ে পোশাক তৈরির কারখানায় চাকরি নেন। গতকাল শনিবার বিকেলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে তরুণীর পরিচয় শনাক্ত করেন তাঁর মা ও বোন।

গত শুক্রবার বিকেলে পুলিশ কক্সবাজার সৈকতের কলাতলী এলাকার একটি হোটেল থেকে ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দে প্রথম আলোকে বলেন, তরুণীর ব্যাগ থেকে একটি জাতীয় পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়। তাতে নিহত তরুণীর নাম ছেনুয়ারা (২১)। তাঁর বাবার নাম হাসান। বাড়ি চট্টগ্রামের পাঁচলাইশের কথা উল্লেখ ছিল। গতকাল মর্গে ওই তরুণীর পরিচয় শনাক্ত করেন তাঁর মা ও বোন। তখন জানা যায়, নিহত তরুণী রোহিঙ্গা। তাঁর পরিবার এখনো টেকনাফের আশ্রয়শিবিরের একটি শিবিরে থাকে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

রোহিঙ্গা তরুণীর বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র কী করে সম্ভব, জানতে চাইলে পুলিশ পরিদর্শক বিপুল চন্দ্র দে বলেন, এ ব্যাপারে অনুসন্ধান চলছে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ওই তরুণীকে নিয়ে এক তরুণ হোটেলে ওঠেন। পরের দিন দুপুরে সাড়াশব্দ না পেয়ে বিকল্প চাবি দিয়ে ওই কক্ষের দরজা খোলেন হোটেল কর্মচারীরা। এ সময় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে তরুণীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন