বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রোহিঙ্গা শিবিরের নিরাপত্তায় দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরান হোসেন। তিনি বলেন, অষ্টম দফায় সাড়ে পাঁচ শতাধিক রোহিঙ্গার দুটি দল উখিয়া থেকে ভাসানচরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। আরও বেশ কিছু রোহিঙ্গার যাওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৫৬টি রোহিঙ্গা পরিবার রয়েছে।

গত বছরের ৪ ডিসেম্বর থেকে সাত দফায় প্রায় ১৯ হাজার রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নিয়েছে সরকার। এ ছাড়া গত বছরের মে মাসে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টাকালে ৩০৬ রোহিঙ্গাকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে ভাসানচরে নিয়ে রাখা হয়েছিল।

ভাসানচরে অবস্থানরত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের প্রতিনিধি (সিআইসি) নওশের ইবনে হালিম বলেন, ভাসানচরের উদ্দেশে রোহিঙ্গাদের দুটি দল ক্যাম্প ত্যাগ করেছে। মূলত তারা রাতে চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। শনিবার সকালে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে তাদের জাহাজে করে ভাসানচরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তাঁরাও সেভাবে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গা স্থানান্তরের জন্য সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৩ হাজার ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ১৩ হাজার একর আয়তনের ওই জায়গায় এক লাখ রোহিঙ্গা বসবাসের উপযোগী ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন