বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনাল খেলায় শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ছিল ইনানী দলের মেয়েরা। মাতামুহুরি দলের মেয়েরাও বসে ছিল না। তারা সব সময় রক্ষণভাগ নিয়ন্ত্রণে রাখে। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি আক্রমণে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে সৈকত ভ্রমণে আসা দর্শক-পর্যটকের মধ্যে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে গোলের দেখা পায় মাতামুহুরি। এতে আনন্দে মেতে উঠে চকরিয়া শিবির। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ম্যাচ শেষের ২ মিনিট আগে ইনানী দল তাদের খেলোয়াড় সুমাইয়ার গোলে ১-১ গোলে সমতা ফেরায়। রেফারির শেষ বাঁশিতে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। তাতে ৩-২ গোলে জয় পেয়ে উল্লাসে ফেটে পড়ে মাতামুহুরি দলের মেয়েরা।

রেফারির শেষ বাঁশিতে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। তাতে ৩-২ গোলে জয় পেয়ে উল্লাসে ফেটে পড়ে মাতামুহুরি দলের মেয়েরা।

ম্যাচসেরা হয়েছে ইনানী দলের সুমাইয়া এবং টুর্নামেন্ট–সেরা খেলোয়াড় মনোনীত হয় মাতামুহুরি দলের পুষ্পা। ম্যাচ রেফারির দায়িত্বে ছিলেন শফিউল আলম, মুনিয়া আক্তার, ফরহাদ ও হ্লা হ্লা কিং।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাহিদ ইকবাল। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ট্রফি তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দিন, ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এফ এম ইকবাল বিন আনোয়ার, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহসভাপতি আবছার উদ্দিন প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, করোনা সংকটে দুই বছর ঝিমিয়ে ছিল কক্সবাজারের ক্রীড়াঙ্গন। বেশ কয়েক মাস সৈকতে পর্যটকের সমাগমও বন্ধ ছিল। এখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটকেরা সৈকতে আসতে শুরু করছেন। একই সঙ্গে বিচ ফুটবলের আসর শুরু হলো। করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এলে সৈকতে আগের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।

ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এফ এম ইকবাল বিন আনোয়ার বলেন, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় পর্যটনশিল্প ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে। পর্যটনশিল্পের উন্নতির পাশাপাশি কক্সবাজারে স্পোর্টস-ট্যুরিজম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে। সেই লক্ষ্যে কাজ করছে ওয়ালটন গ্রুপ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন