বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে থাকে সি-সেইফ লাইফগার্ড নামের একটি সংস্থা। ওই সংস্থার উদ্ধারকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তৌনিক মকবুল যখন গোসলে নামেন, তখন সাগরে ভাটা চলছিল। স্রোতের টান ছিল প্রবল। ভাটার সময় সমুদ্রে গোসলে নামা নিষেধ। কিন্তু তা মানেননি তৌনিক মকবুল। তিন বন্ধুর সঙ্গে তিনি বেলা দেড়টায় সৈকতের সিগাল পয়েন্টে গোসলে নামেন। স্রোতের টানে ভেসে যান তৌনিক ও ইয়াছিন নামের অপরজন। তাঁদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তৌনিককে মৃত ঘোষণা করেন জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) শাহীন মো. আবদুর রহমান চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। পানি ঢুকে তাঁর পেট ফুলে গেছে।

তৌনিকের অপর বন্ধু সৈয়দ সাদমান সাকিব সাংবাদিকদের বলেন, তাঁরা তিন বন্ধু ঢাকা থেকে আজ সকাল ১০টায় কক্সবাজারে পৌঁছান। দুপুর ১২টায় সৈকতে নামেন। কিছুক্ষণ পর স্রোতের টানে হঠাৎ তাঁর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান তৌনিক ও ইয়াছিন।

সাগর উত্তাল থাকায় গোসলে নামতে নিষেধ করে সৈকতের বালুচরে একাধিক লাল নিশানা তোলা হয়েছে। কিন্তু অনেকে তা মানছেন না। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গোসলে নেমে কয়েক দিন আগেও এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন