পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আকতার কামাল বলেন, সমুদ্রের তীরেই জায়েদ ও রিয়াদের বাড়ি। গতকাল বিকেলে জোয়ারের পানিতে নেমে দুই শিশু খেলছিল। সম্ভবত বড় ঢেউয়ের ধাক্কায় তারা ভেসে যায়। বিকেলের পর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে দিবাগত রাত একটার দিকে জোয়ারের পানিতে দুই শিশুর লাশ ভাসতে দেখা যায়।

জেলা প্রশাসনের নিয়োগ করা বিচ কর্মীদের সুপারভাইজার মাহবুব আলম বলেন, গভীর রাতে সাগরের দুটি পয়েন্টে লাশ ভাসতে দেখে লাইফগার্ডের কর্মীদের খবর দেওয়া হয়। পরে তাঁরা সমুদ্র থেকে দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করেন। প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে পরে লাশগুলো দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে একই দিন বিকেলে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে গোসলে নেমে নিখোঁজ হয় তানভিরুল হক (১৪) নামের এক স্কুলছাত্র। ঘটনার প্রায় ৪০ মিনিট পর লাইফগার্ডের কর্মীরা মুমূর্ষু অবস্থায় তানভিরুলকে উদ্ধার করে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় চিকিৎসক তানভিরুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

তানভিরুল শহরের কক্সবাজার বায়তুশশরফ জব্বারিয়া একাডেমি উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিল। তার বাড়ি শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায়।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগর এখন উত্তাল রয়েছে। সাগরে গোসলে নামার আগে জোয়ার-ভাটার সময় খেয়াল করে নামতে হবে। ভাটার সময় গোসলে না নামার জন্য সৈকতের একাধিক স্থানে সতর্কতামূলক লাল নিশান ওড়ানো হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন